রফিকুল ইসলাম রাজশাহীর একটি ছোট ব্যবসা চালান। দিনের বেশিরভাগ সময় দোকানে কাটে। বিকেলে একটু ফ্রি হলে ফোনে খেলার অভ্যাস ছিল তার। তিন বছর আগে এক বন্ধু Tigro-র কথা বলেছিল, কিন্তু সে সময় আগ্রহ ছিল না। তারপর গত বছর নিজে থেকেই সাইটে ঢুকলেন।
প্রথম দিন শুধু ঘুরে দেখলেন। গেমের বৈচিত্র্য দেখে একটু চমকে গেলেন। ক্রিকেট বেটিং, ফুটবল, লাইভ ক্যাসিনো, স্লট – সব এক জায়গায়। বাংলায় ইন্টারফেস দেখে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে তার।
নিবন্ধন থেকে প্রথম বেট পর্যন্ত
রফিকুল বলেন, নিবন্ধন করতে পাঁচ মিনিটও লাগেনি। মোবাইল নম্বর দিয়ে OTP যাচাই, তারপর সরাসরি অ্যাকাউন্ট চালু। বিকাশ দিয়ে ৳৫০০ ডিপোজিট করলেন। সঙ্গে সঙ্গে ৫০০ টাকা বোনাস যোগ হলো। মোট ৳১,০০০ দিয়ে শুরু করলেন বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে বেট রেখে।
"প্রথমবার যখন জিতলাম আর উইথড্রয়াল করলাম, বিশ্বাসই হচ্ছিল না। ৮ মিনিটে বিকাশে টাকা চলে এলো। সেই থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাইনি।"
– রফিকুল ইসলাম, রাজশাহীকী কী শিখলেন এই যাত্রায়
রফিকুল প্রথম মাসে কিছু ভুলও করেছেন। একদিন মেজাজের মাথায় অনেক বড় বেট দিয়ে ফেললেন। সেটা হারার পর থেকে শিক্ষা নিলেন – বেটিং মানে শুধু ভাগ্যের খেলা নয়, এখানে ধৈর্য আর পরিকল্পনাও লাগে।
Tigro-র সাহায্য কেন্দ্রের গাইডগুলো পড়া শুরু করলেন। ব্যাংকরোল ম্যানেজমেন্ট কী, কীভাবে অডস বিশ্লেষণ করতে হয় – এসব ধীরে ধীরে রপ্ত করলেন। এখন তিনি প্রতি সপ্তাহে একটা নির্দিষ্ট বাজেট ধরে খেলেন।
তিনি আরও জানালেন যে Tigro-র লাইভ চ্যাট সাপোর্ট একবার তাঁকে সত্যিই সাহায্য করেছিল। একটা ট্রানজেকশনে সমস্যা হয়েছিল – সাপোর্টে মেসেজ দেওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়ে গেছে।